Sponsored by

2020 অনূর্ধ্ব-19 বিশ্বকাপ কীভাবে জিতেছিল বাংলাদেশ

পচেফস্ট্রুমে ভারতকে হারিয়ে 2020 বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের পর উদ্‌যাপনরত বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-19 ক্রিকেটাররা

কেন 2020 সালের শিরোপাটি আজও আলাদা মর্যাদায়

2020 সালের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল অনূর্ধ্ব-19 ক্রিকেট বিশ্বকাপে বাংলাদেশের জয় শুধু সম্ভাবনাময় যুব দলের একটি ভালো ফল ছিল না। এটি ছিল যেকোনো পর্যায়ে বাংলাদেশের প্রথম বৈশ্বিক আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল শিরোপা। শৃঙ্খলাবদ্ধ বোলিং, শান্ত ব্যাটিং এবং বয়সভিত্তিক দলের তুলনায় অসাধারণ স্বচ্ছ ম্যাচ ব্যবস্থাপনার সমন্বয়ে দলটি এই সাফল্য পায়। দক্ষিণ আফ্রিকার পচেফস্ট্রুমে ফাইনালে ভারতকে 177 রানে অলআউট করার পর ডিএলএস পদ্ধতিতে বাংলাদেশ তিন উইকেটে জেতে। বৃষ্টিতে সংশোধিত লক্ষ্য শেষ পর্যন্ত দাঁড়ায় 46 ওভারে 170; অধিনায়ক আকবর আলী অপরাজিত 43 রানে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন।

বাংলাদেশের আগের অনূর্ধ্ব-19 রেকর্ডের প্রেক্ষাপটে রাখলে এই জয়ের গুরুত্ব আরও স্পষ্ট হয়। দলটি প্রতিভাবান ক্রিকেটার উপহার দিয়েছিল এবং 2016 আসরে তৃতীয় হয়েছিল, কিন্তু 2020 সালের আগে কখনো ফাইনালে উঠতে পারেনি। ফলে দক্ষিণ আফ্রিকার সেই অভিযানে একসঙ্গে দুটি চ্যালেঞ্জ ছিল: শক্তিশালী যুব ক্রিকেট কাঠামোর দলগুলোকে ধারাবাহিকভাবে হারাতে পারে—এটি প্রমাণ করা, এবং জাতীয় ইতিহাসে প্রথম বৈশ্বিক শিরোপার সুযোগ তৈরি হলে নকআউট ম্যাচের চাপ সামলানো। কোনো একক চোখধাঁধানো নৈপুণ্যের ওপর নির্ভর না করে দুই চ্যালেঞ্জই সামলাতে পেরেছিল বলেই বাংলাদেশ শিরোপা জেতে।

নাটক নয়, নিয়ন্ত্রণের ওপর দাঁড়ানো গ্রুপ পর্ব

গ্রুপের শীর্ষে থেকে বাংলাদেশ নকআউট পর্বে ওঠে; জিম্বাবুয়ে ও স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে জয় শুরুতেই ম্যাচের গতি নিজেদের পক্ষে এনে দেয়। তবে মূল বৈশিষ্ট্য ছিল না বেপরোয়া আধিপত্য। দলটি বারবার দেখিয়েছে, বল হাতে ঝুঁকি কমাতে পারে, ব্যাট হাতে জুটি গড়তে পারে এবং পরিস্থিতি যখন লাগাতার আক্রমণাত্মক শটের অনুকূলে নয়, তখন ধৈর্য ধরে থাকতে পারে। যুব টুর্নামেন্টে ভুল শট বাছাই থেকে দ্রুত ব্যাটিং ধস নামতে পারে; তাই এমন নিয়ন্ত্রণের কৌশলগত মূল্য অনেক।

ব্যাটিং ইউনিটে এমন কয়েকজন ক্রিকেটারও ছিলেন, যারা ইনিংসের ভিন্ন ভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্ব নিতে পারতেন। তানজিদ হাসান শুরুতে ইতিবাচক মনোভাব এনে দিতে পারতেন; আর তাওহীদ হৃদয়, শাহাদাত হোসেন ও মাহমুদুল হাসান জয় ইনিংস পুনর্গঠন কিংবা বড় করার পথ দেখাতেন। দায়িত্বের এই বিস্তার পরে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, কারণ প্রতিপক্ষ ধরে নিতে পারেনি যে একজন আলোচিত ব্যাটারকে ফেরালেই ম্যাচ শেষ। একাধিক পথে ম্যাচ জেতার অভ্যাস নিয়েই বাংলাদেশ নকআউট পর্বে প্রবেশ করেছিল।

কোয়ার্টার ফাইনাল দেখিয়েছিল, পরিকল্পনা চাপিয়ে দিতে পারে বাংলাদেশ

পচেফস্ট্রুমে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশ 5 উইকেটে 261 রান করে এবং 104 রানে জেতে। তানজিদ হাসান 80, তাওহীদ হৃদয় 51 এবং শাহাদাত হোসেন অপরাজিত 74 রান করেন। এই অবদানগুলো সীমিত ওভারের ক্রিকেটের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা তুলে ধরে: ভালো শুরু কয়েকটি দ্রুত উইকেটে নষ্ট না হয়ে মধ্যক্রমের ব্যাটাররা সেটিকে বড় সংগ্রহে রূপ দিয়েছিলেন। এরপর যথেষ্ট নিয়ন্ত্রণে সেই সংগ্রহ রক্ষা করে বাংলাদেশ সম্ভাব্য চাপের নকআউট ম্যাচকে আরামদায়ক জয়ে পরিণত করে।

বাংলাদেশের সমর্থকদের জন্য কৌশলগত শিক্ষা হলো, যুব পর্যায়ের সাফল্য অনেক সময় চমকপ্রদ তাৎক্ষণিক উদ্ভাবনের চেয়ে বারবার প্রয়োগ করা যায় এমন দক্ষতার ওপর বেশি নির্ভর করে। ব্যাটাররা হাতে থাকা সম্পদ বাঁচিয়ে এমন সংগ্রহ গড়েছিলেন, যা রক্ষা করা সম্ভব; আর বোলাররা স্কোরবোর্ডের চাপকে কাজে লাগাতে পেরেছিলেন। ওভারপ্রতি পাঁচের বেশি রান তাড়া করা নকআউট প্রতিপক্ষ অনির্দিষ্টকাল খারাপ বলের অপেক্ষায় থাকতে পারে না, তাই ধারাবাহিক ভালো লাইন আরও মূল্যবান হয়ে ওঠে। বাংলাদেশ সেই চাপ কাজে লাগিয়ে সেমিফাইনালে ওঠে এবং প্রমাণ করে, তাদের পরিকল্পনা আরও শক্তিশালী প্রতিপক্ষের সামনেও টিকে থাকতে পারে।

মাহমুদুল হাসান জয়ের সেমিফাইনাল শতক

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনাল ছিল ভিন্ন ধরনের পরীক্ষা। নিউজিল্যান্ড 8 উইকেটে 211 রান করায় বাংলাদেশের লক্ষ্য ছিল নিয়ন্ত্রণযোগ্য, কিন্তু শুরুতেই উইকেট পড়ে আতঙ্ক তৈরি হলে বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারত। মাহমুদুল হাসান জয় 127 বলে 100 রান করে জবাব দেন; বাংলাদেশ 44.1 ওভারে 4 উইকেটে 215 রান তুলে ছয় উইকেটে জেতে। তাওহীদ হৃদয় ও শাহাদাত হোসেন দুজনই 40 রান করে জয়কে প্রয়োজনীয় জুটির সমর্থন দেন, যাতে তিনি লক্ষ্য তাড়ার নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারেন।

জয়ের ইনিংসটি গুরুত্বপূর্ণ ছিল, কারণ সেমিফাইনালে লক্ষ্য তাড়া করতে নির্দিষ্ট রান তোলার গতির চেয়ে বিচারবোধ বেশি পুরস্কৃত হয়। বাংলাদেশের এমন ব্যাটার দরকার ছিল না, যিনি প্রতি ওভারেই আক্রমণ করবেন। দরকার ছিল এমন একজন, যিনি চাপ শুষে নেবেন, কম ঝুঁকির রান তোলার পথ চিনবেন এবং প্রয়োজনীয় রান রেটকে সমস্যা হয়ে উঠতে দেবেন না। জয় ঠিক সেটিই করেন। তাঁর শতকের ফলে বাংলাদেশ শেষ ওভারের নাটকীয় রক্ষা নয়, বরং সংযত লক্ষ্য তাড়ায় ফাইনালে ওঠে; এতে আরও দৃঢ় হয় যে বাংলাদেশের ব্যাটিং দল টুর্নামেন্টের চাপ সামলাতে সক্ষম।

বাংলাদেশের বোলিং যেভাবে ফাইনালের গতিপথ গড়ে দেয়

শক্তিশালী টুর্নামেন্ট রেকর্ড নিয়ে ভারত ফাইনালে নামে, আর ওপেনার যশস্বী জয়সওয়াল ছিলেন আসরের অন্যতম সেরা ব্যাটার। তিনি 88 রান করেন, কিন্তু বড় উদ্বোধনী ইনিংসের পর যে ধরনের বিশাল দলীয় সংগ্রহ সাধারণত তৈরি হয়, বাংলাদেশ ভারতকে সেটি করতে দেয়নি। ভারত 177 রানে অলআউট হয়। জয়সওয়ালের চারপাশে নিয়মিত উইকেট নিতে থাকায় তাঁর ইনিংস শেষ দশ ওভারে বড় ঝড় তোলার মঞ্চ হয়ে উঠতে পারেনি।

এটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত দিক। 50 ওভারের ম্যাচে জমে যাওয়া ব্যাটারকে শুধু আটকে রাখাই পুরো কাজ নয়। অন্য প্রান্তে উইকেট নিলে নতুন ব্যাটারদের থিতু হওয়া কঠিন হয় এবং পরে রান তোলার গতি বাড়ানোর সামর্থ্যও কমে যায়। শরিফুল ইসলাম ও রাকিবুল হাসানসহ বাংলাদেশের আক্রমণ যথেষ্ট চাপ ধরে রেখে ভারতের সংগ্রহকে নাগালের মধ্যে রাখে। লক্ষ্যটি ফাইনালের চাপ বহন করছিল ঠিকই, তবে এত বড় ছিল না যে লক্ষ্য তাড়ায় ভুলের পর বাংলাদেশের ফিরে আসার পথ বন্ধ হয়ে যায়।

6 উইকেটে 102 রানে আকবর আলীর শান্ত থাকার মূল্য

বাংলাদেশ ইতিবাচকভাবে লক্ষ্য তাড়া শুরু করলেও 6 উইকেটে 102 রানে নেমে যায়; ভারতের রবি বিষ্ণোই লেগ স্পিনে বড় সমস্যা তৈরি করে চার উইকেট নেন। তখন ফাইনাল আর মসৃণ লক্ষ্য তাড়ার গল্প ছিল না। মূল প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায়, বাংলাদেশ কি ম্যাচকে দ্রুত ব্যাটিং ধসের দিকে এগিয়ে যেতে দেওয়া ঠেকাতে পারবে? আকবর আলীর অপরাজিত 43 রান নির্ণায়ক হয়ে ওঠে, কারণ টিকে থাকা, প্রান্ত বদল করা এবং লক্ষ্য সম্পর্কে সচেতন থাকা—তিনটিকেই তিনি একই দায়িত্বের অংশ হিসেবে দেখেছিলেন।

আকবরকে শীর্ষক্রমের শক্তিশালী শটখেলা ব্যাটারের অনুকরণ করতে হয়নি। তাঁকে বাকি উইকেটগুলো অক্ষত রাখতে হয়েছে, মেনে নিতে হয়েছে যে কিছু ওভারে খুব কম রান আসবে, এবং নিশ্চিত করতে হয়েছে যেন লক্ষ্য তাড়া জীবিত থাকে। পরে বৃষ্টিতে সমীকরণ বদলালেও চাপ উধাও হয়নি। বাংলাদেশ যখন লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে, আকবরের ইনিংস পুরো দলের টুর্নামেন্ট-চরিত্রের প্রতিচ্ছবি হয়ে ওঠে: অস্থিরতার বদলে নিয়ন্ত্রিত, এক গতিতে আটকে থাকার বদলে নমনীয়, এবং ধাক্কার পরও পরিষ্কার সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম।

বাংলাদেশের ক্রিকেট উন্নয়নের পথে এই শিরোপার অর্থ

2020 সালের জয় বাংলাদেশের যুব ক্রিকেটকে এমন একটি ফল দেয়, যা বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ক্রিকেট কাঠামোগুলোর বিপরীতে মাপা যায়। একই সঙ্গে এটি দেখায়, অনূর্ধ্ব-19 সাফল্যকে উন্নয়নের সূচক হিসেবে দেখা উচিত, এমন নিশ্চয়তা হিসেবে নয় যে চ্যাম্পিয়ন দলের প্রত্যেক সদস্যই সিনিয়র আন্তর্জাতিক তারকা হবেন। বয়সভিত্তিক ক্রিকেট প্রতিভা যাচাই করে, কিন্তু সিনিয়র ক্রিকেটে কাজের চাপ বেশি, কৌশলগত বিশ্লেষণ আরও গভীর, কারিগরি পরীক্ষা কঠোর এবং দলে জায়গার প্রতিযোগিতাও তীব্র। তাই শিরোপাটির মূল্য ছিল তাৎক্ষণিকও, আবার দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের দিক থেকেও।

দলের কয়েকজন ক্রিকেটার পরে বাংলাদেশের ক্রিকেটের উচ্চতর পর্যায়ে গেছেন, তবে কোনো একক ক্যারিয়ারের পথের চেয়ে বড় শিক্ষাটি বেশি মূল্যবান। সফল যুব কর্মসূচিকে খেলোয়াড়দের শেখাতে হয় কীভাবে ইনিংস গড়তে হয়, সংগ্রহ রক্ষা করতে হয়, ম্যাচের অবস্থা পড়তে হয় এবং চাপ থেকে ঘুরে দাঁড়াতে হয়। 2020 সালের বাংলাদেশ দল ভিন্ন ভিন্ন নকআউট পরিস্থিতিতে এসব দক্ষতা দেখিয়েছিল। তাই সমর্থকেরা ফিরে তাকালে এই অভিযান কেবল ট্রফির গল্প হয়ে থাকে না; বরং সুশৃঙ্খল যুব ক্রিকেট কীভাবে টুর্নামেন্টের জন্য প্রস্তুত একটি দল তৈরি করতে পারে, তার একটি কার্যকর উদাহরণ হয়ে থাকে।

Related posts

ইডেন গার্ডেন্সে আলোর নিচে গোলাপি বল দিয়ে 2019 সালের দিবা-রাত্রির টেস্ট খেলছে বাংলাদেশ ও ভারত

মানিয়ে নেওয়ার খুব কম সুযোগ নিয়ে এসেছিল ঐতিহাসিক প্রথম অভিজ্ঞতা 22 নভেম্বর

প্যাভিলিয়নে ব্যাটাররা প্রস্তুত থাকার সময় কখন ইনিংস ঘোষণা করবেন তা ভাবছেন টেস্ট অধিনায়ক

নিজেদের ইনিংস শেষ করার বৈধ উপায় হলো ইনিংস ঘোষণা টেস্ট ক্রিকেটে একটি

ক্রিকেট বল ছাড়ার আগে নন-স্ট্রাইকার প্রান্তে রান আউটের চেষ্টা করছেন বোলার

আইন অনুযায়ী এই আউটের ধরন রান আউট নন-স্ট্রাইকার আগেভাগে ক্রিজ ছেড়ে গেলে

Recent Posts

ইডেন গার্ডেন্সে আলোর নিচে গোলাপি বল দিয়ে 2019 সালের দিবা-রাত্রির টেস্ট খেলছে বাংলাদেশ ও ভারত

ব্লগ শিরোনাম: বাংলাদেশের প্রথম দিবা-রাত্রির টেস্ট: 2019 সালের গোলাপি বলের ম্যাচ যা শিখিয়েছিল

মানিয়ে নেওয়ার খুব কম সুযোগ নিয়ে এসেছিল ঐতিহাসিক প্রথম অভিজ্ঞতা 22 নভেম্বর 2019 থেকে কলকাতার

Read More
ক্রিকেট বল ছাড়ার আগে নন-স্ট্রাইকার প্রান্তে রান আউটের চেষ্টা করছেন বোলার

ব্লগ শিরোনাম: নন-স্ট্রাইকার রান আউটের নিয়ম: বাংলাদেশের ক্রিকেট সমর্থকদের যা জানা দরকার

আইন অনুযায়ী এই আউটের ধরন রান আউট নন-স্ট্রাইকার আগেভাগে ক্রিজ ছেড়ে গেলে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে বোলার

Read More
লাল বলের কন্ডিশনে চার দিনের জাতীয় ক্রিকেট লিগের ম্যাচ খেলছেন বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটাররা

ব্লগ শিরোনাম: বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট লিগ: টেস্ট উন্নয়নে চার দিনের ক্রিকেট কেন গুরুত্বপূর্ণ

বাংলাদেশের সাদা বলের প্রতিযোগিতা থেকে এনসিএলের উদ্দেশ্য কেন আলাদা জাতীয় ক্রিকেট লিগ বাংলাদেশের ঘরোয়া কাঠামোর

Read More
টেস্ট ম্যাচে পুরোনো লাল বল ব্যবহার করছেন বাংলাদেশের পেসার, আর ফিল্ডাররা বলের ঔজ্জ্বল্য বজায় রাখছেন

ব্লগ শিরোনাম: টেস্ট ক্রিকেটে রিভার্স সুইং: বাংলাদেশের জন্য পুরোনো বলের দক্ষতা কেন গুরুত্বপূর্ণ

নতুন বল সাহায্য করা বন্ধ করলে রিভার্স সুইং কেন গুরুত্বপূর্ণ নতুন বলের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রচলিত

Read More
টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের হয়ে বাঁহাতি স্পিন বোলিং করছেন তাইজুল ইসলাম

ব্লগ শিরোনাম: টেস্ট ক্রিকেটে তাইজুল ইসলাম: তার বাঁহাতি স্পিনকে যেভাবে ব্যবহার করে বাংলাদেশ

তাইজুলের টেস্ট ভূমিকা সাধারণ বাঁহাতি স্পিনের চেয়ে কেন আলাদা টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের জন্য তাইজুল ইসলামের

Read More
Scroll to Top